You are currently viewing রত্নপাথরের সর্ববৃহৎ কালেকশন (Gemstone Shopping Store)
rubi gemstone burmese

রত্নপাথরের সর্ববৃহৎ কালেকশন (Gemstone Shopping Store)

জ্যোতিষশাস্ত্র, সংখ্যাতত্ত্ব, রত্নপাথর বিশারদ অথবা এই সম্পর্কিত কোন কাজে কাউকে উৎসাহিত করা হচ্ছে না। এর উদ্দেশ্য শুধু মাত্রই সৃষ্টির আশ্চর্য ক্ষমতা এবং সেই সৃষ্টির স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস আনয়ন করা। তিনি সৃষ্টির আশ্চর্য ক্ষমতা দ্বারা মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছেন। শুধু মাত্র মানুষের উপকারে জন্য বিভিন্ন সৃষ্টির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্ষমতা রয়েছে। তিনি মানব কল্যাণে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ সৃষ্টি করেছেন তার মধ্যে রত্নপাথর, গ্যাস, পেট্রলিয়াম, ইত্যাদি। এই সকল কিছুই নানা ভাবে মানুষের উপকারে আসে।  সৃষ্টির সকল জিনিসই মানুষের ব্যবহারের জন্য। 

Ajmeri Gems House
Ajmeri Gems House

পৃথিবীতে যে সকল রত্নপাথর (Gemstone) পাওয়া যায়

১। Nila Stone (পদ্মনীলা পাথর)

২। Ruby Stone ( রুবি পাথর)

৩। Gems Stone Shiloni Moon (শিলোনী মুন ষ্টোন)

৪। Red Coral Stone  (রক্তপ্রবাল পাথর)

৫। Blue Nila Stone (ব্যাংকক ইন্দ্রনীলা পাথর)

৬। Pearl Stone (গ্যারা মুক্তা পাথর)

৭। Sulemani Akik Stone (সোলেমানি আকিকপাথর)

৮। Akik Stone (আকিক ইয়ামিনী লাল পাথর)

৯। Akik Stone ( আকিক কালো পাথর)

১০। Zircon  Stone  (জারকন পাথর)।

১১। Cats Eye Stone (শিলোনাী ক্যাটসআই পাথর)

১২। Cats Eye Stone (উড়িষ্যা ক্যাটসআই পাথর)

১৩। Gemstone Citrine (সিট্রিন রত্নপাথর)

১৪। Peridot Gemstone (পেরিডট রত্নপাথর)

১৫। Alexandrite Gemstone (আলেকজান্দ্রিত)

১৬। Gemstone Aquamarine  (অ্যাকোয়ামারিন)

১৭। Star Ruby Stone (আনকাট রুবি স্টোন)

১৮। Blue Sapphire (শ্রীলঙ্কান ইন্দ্রনীলা পাথর)

১৯। Emerald Stone (ব্রাজিল পান্না পাথর)

২০। Turquoise Gemstone (ফিরোজা পাথর)

২১। Golden Topaz (টোপাজ রত্নপাথর)

২২। Opal Stone (ওপাল পাথর)

২৩। Tiger Eye Stone (টাইগার পাথর)

২৪। Yellow Sapphire Topaz Stone (পোখরাজ পাথর)

২৫। Garnet Gemstone (গোমেদ পাথর)

একটি রত্নপাথর  হল খনিজ স্ফটিকের একটি টুকরো যা কাটা এবং পালিশ আকারে গয়না বা অন্যান্য অলঙ্করণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট কিছু শিলা এবং  জৈব পদার্থ গহনা তৈরির জন্যও ব্যবহৃত হয় এবং তাই প্রায়শই রত্নপাথর হিসেবেও বিবেচিত হয়। বেশিরভাগ রত্নপাথর শক্ত, তবে কিছু নরম খনিজ গহনাতে ব্যবহার করা হয় কারণ তাদের দীপ্তি বা অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলির নান্দনিক মূল্য রয়েছে। বিরলতা এবং কুখ্যাতি হল অন্যান্য বৈশিষ্ট্য যা রত্নপাথরের মূল্য দেয়। 

কোন রত্নপাথর (Gemstone) কোন মানুষের জন্য সঠিক? 

কিছু কিছু রত্নপাথর পাওয়া যায় সমদ্রের নিচে, আবার কিছু পাওয়া যায় পাহাড়ে আর কিছু পাওয়া যায় মাটিতে। মানুষের জীবনে রত্নপাথরের ভূমিকা বিশাল।আংটি পরা পৃথিবীর একটি পুরাতন ঐতিহ্য। মানুষ নানা ধরনের রত্নপাথরের সৌন্দর্য, দ্যুতি  এবং মূল্যর জন্য তা পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে থাকে। প্রশ্ন হচ্ছে যে কোন রত্ন পাথর কোন মানুষের জন্য সঠিক? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আমাদের যাত্রা করতে হবে শিক্ষার পথে। সাম্প্রতিক সময়ে রত্নপাথরের উপর বৈজ্ঞানিক ভাবে গবেষণা করেছেন এবং দেখার চেষ্টা করেছেন রত্নপাথরে কি কি নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে। দেখা গেছে যে সঠিক রত্নপাথর ব্যবহারে ব্যাথা কমে যায়, এলারজি প্রকপ কমে যায়, শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হয় এবং পেশীর শক্তি বৃদ্ধি পায়।

ruby-gemstone
ruby-gemstone

রত্নপাথরে পাওয়া অবিশ্বাস্য নিরাময় ক্ষমতা

পৃথিবীতে নানা ধরণের ধাতু পাওয়া যায় যেমন স্বর্ণ, সাদা স্বর্ণ, প্লাটিনাম, ষ্টীল, রুপা সহ অন্যান্য। বর্তমান বিজ্ঞান দ্বারাও প্রমাণিত হয়েছে যে স্বর্ণ স্ত্রীলোকের শরীর থেকে বিভিন্ন রোগ জীবাণু গ্রহন করে। রত্নপাথরের মধ্যে মানুষের শারীরিক এবং মানুষিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রয়েছে। বেশীরভাগ মানুষ রত্নপাথর ব্যবহার করা পছন্দ করে, কিন্তু তারা এর ফলাফল সম্পর্কে তেমন অবগত নয়। একই রত্নপাথর (Gemstone) একজনের জন্য উপকারী হলে অন্য জনের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে। একটি সঠিক রত্নপাথর মানুষের জীবনে পরিবর্তন বয়ে আনতে পারে এবং সঠিক পথের দিকে অবস্থার উন্নতি সাধন করে। 

পাথরে ভাগ্য বদলায়, আসলে বিষয়টা কি?

আমাদের মাঝে বিভিন্ন জন বিভিন্ন রকম চিন্তা করে থাকেন। জ্যোতিষরা বলার চেষ্টা করে পাথরে ভাগ্য বদলায়, কিছু কিছু মানুষ বলে ফেলেন পাথর ব্যবহার করা উচিত নয়। আসলে বিষয়টা কি? Gemstone (রত্নপাথর) মানুষের উপকার ছাড়া ক্ষতি করতে পারে এমনটা ভাবা উচিত নয়। মানুষ অসুস্থ হলে ওষুধ খাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ওষুধ খাবার সময় অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার নিকট সাহায্য চাইতে হবে। অন্যথায় যদি আমরা মনে করি নাপা খেলেই জ্বর ভাল হয়ে যায় এটা ঠিক না, কারন নাপা ওষুধের নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই। ঠিক সেই ভাবে যদি কেউ মনে করে যে রত্নপাথর ব্যবহার করলে এটা হবে ঐটা হবে তাহলেই সেটাও ঠিক নয়। আমরা জ্যোতিষীর ক্ষুদ্র স্বার্থে পাথরকে ভুল ভাবে গ্রহন করে থাকি। নানা রকম প্রলোভনে আমরা মনেই করি পাথর আমাদের সরাসরি বিপদ থেকে উদ্ধার করে দেবে। যা ভাবা বোকামি ও নির্বুদ্ধিতার সামিল। তবে রত্নপাথর ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশই অবঘ জোতিষির পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

রত্নপাথর (Gemstone) ব্যবহারের নিয়ম 

আঙ্গুলের শেষ সীমানায় আংটি পরা উচিৎ যা ফলে আংটি হাতের তালুর কাছাকাছি থাকে। এর মানে হচ্ছে যদি রত্নপাথর সহ কোন আংটি কনিষ্ঠ আঙ্গুলে পরা হয় তাহলে এটা অবস্থার পরিবর্তনে সাহায্য করে। কনিষ্ঠ আঙ্গুল সরাসরি হৃদয়ের সাথে সংযোগ রাখে, এবং আংটিতে রত্ন পাথর এমন ভাবে বসানো উচিৎ যাতে করে রত্নপাথরের নিচের অংশ সরাসরি শরীরে সাথে লেগে থাকে। যার ফলে সূর্য সহ বিভিন্ন গ্রহের রশ্মি ঐ রত্নপাথরের উপর পরলে সেটার প্রভাব এবং শক্তি নিয়ে শরীরে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে।

Ajmeri Gems House
Ajmeri Gems House

১। যে কোন রত্নপাথর কিনতে হলে একজন ভালো জ্যোতিষীর সাহায্য নিতে হবে। রত্নপাথর সবসময় আসল কেনা উচিত।

২। একবার রত্নপাথর পরিধান করা হলে, এটি বারবার অপসারণ করা এড়ানো উচিত। কথিত আছে এটি করলে রত্নপাথরের প্রভাব কমে যায়।

৩। কোন ভাঙা রত্নপাথর পরা উচিত নয়। রত্নপাথরের রং চলে গেলেও তা তুলে ফেলতে হবে।

৪। একটি রত্নপাথর পরার সময়, এটি ত্বকের সাথে স্পর্শ করা প্রয়োজন। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে তবেই রত্নপাথরের উপকার পাওয়া যায়।

৫। মণি পরিধান করার সময়, মন্ত্রগুলি সঠিকভাবে জপ করুন এবং এটি পরিধান করুন।

৬। একজনের অন্যের রত্ন পরিধান করা উচিত নয় এবং এটি অন্যদের দ্বারা পরিধান করার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।

৭।  রত্নপাথর সবসময় এর সাথে যুক্ত ধাতুতে পরিধান করা উচিত। এটি করলে ধাতুর শুভ প্রভাবও পাওয়া যায়।

৮। জ্যোতিষীদের মতে, নীলকান্তমণি এবং হীরা ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত নয়, তাই জ্যোতিষশাস্ত্রের পরামর্শের পরেই এগুলি পরা উচিত।

৯। রত্নপাথর সবসময় জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়েই কেনা উচিত। রত্নপাথরের ওজনের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

১০। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এমনকি অমাবস্যা, গ্রহন এবং সংক্রান্তিতেও রত্নপরা উচিত নয়।

রত্নপাথরের মূল্য শুধু মাত্রই সেই ব্যক্তিরা বুঝবে যারা এর উপকার এবং ক্ষতির দিক সম্পর্কে অবগত। রত্নপাথর বিচার করা, ব্যবহার করা এবং সংরক্ষণ করা খুব সহজ নয়। সবসময় খালি চোখে দেখেই আসল রত্নপাথর চেনা যায় না। সে কারনে মাঝে মাঝে পরীক্ষা যন্ত্রের সাহায্য নিয়ে পাথরের কোন প্রকারের ক্ষতি না করে পাথর সম্পর্কে সঠিক তথ্য বের করা হয়। রত্নপাথরের দ্বারা আশ্চর্য ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভর যদি সেটা সঠিক ভাবে তৈরি করা হয়। 

রত্নপাথর (Gemstone) নিয়ে আমাদের আগ্রহের কোন সীমা নেই

সুখের পাশাপাশি মানুষের জীবনে দুঃখ রয়েছে। সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা। জীবনে সবাই সুখী হতে চায়, সফলতা পেতে চায়। কিন্তু মানুষ ভাবে এক, আর হয় আর এক। এই নেতিবাচক পরিস্থিতিকে এড়াতে অনেক মানুষ জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করে। এ বিশ্বাসের হাত ধরে কেউ কেউ বিভিন্ন রত্নপাথর ব্যবহার করে। তবে রত্নপাথর ব্যবহারে ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে এমন বিশ্বাসের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তবুও, রত্নপাথরকে ঘিরে হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে ওঠা বিশ্বাস এখনো টিকে আছে। মজার কথা, পৃথিবীর নানা দেশে বহু বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষ, এমনকি বিজ্ঞানীরা পর্যন্ত সৌভাগ্যলাভের আশায় নানা ধরনের রত্নপাথর ব্যবহার করে। রত্নপাথরের প্রতি প্রায় সবারই কৌতুহল আছে। দু’চারটি রত্নপাথরের নাম জানেন না এমন মানুষ এ সমাজে খুঁজে পাওয়া কঠিন। রত্নপাথর নিয়ে কৌতুহলি মানুষদেরকে বিভিন্ন রত্নপাথর সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা প্রদানের নিমিত্তে আমাদের ওয়েবসাইট , ফেইসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, টুইটার এবং ইউটিউব চ্যানেল সবসময় অনুসরণ করুন।  

আসল রত্নপাথর চেনার উপায়

আজকাল বাজারে নানা রকম রত্নপাথর পাওয়া যায়। তাদের রং আর উজ্জল বর্ণচ্ছটার আভা দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। কিন্তু এত সব রত্ন পাথরের ভিড়ে কি করে চেনা যাবে কোনটা আসল, কোনটা নকল ? রত্নপাথর (Gemstone) আসল কি নকল বুঝার জন্য অভিজ্ঞ চোখ প্রয়োজন। সব রত্নই পাথর কিন্তু সব পাথরই রত্ন নয়। রত্নপাথরের আকৃতি, রঙ, স্বচ্ছতা ও এর ভেতর সুক্ষ্ণ যে সব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে। রত্নপাথর চেনার উপায় এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। তবে রত্ন পাথর যাচাই করার সব চেয়ে ভাল উপায় হল রত্নপাথরের প্রতিসরণাংক যাচাই করা। রত্নপাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্নপাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব। রত্নপাথর চেনার উপায় বংশ পরম্পরায় জহুরির কাজের মাধ্যমে হতে পারে।

aquamarine-gemstone
aquamarine-gemstone

আসল রত্নপাথর চেনার উপায় নিম্নরূপঃ

১। রত্নপাথরের আকৃতি, রঙ, স্বচ্ছতা ও এর ভেতর সুক্ষ্ণ যে সব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে।

২। সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। 

৩। রত্নপাথরের বাঁধাইকৃত ধাতুর শুদ্ধতা আপনার অবশ্যই জানা থাকতে হবে?

৪। প্রতিটি রত্নের আপেক্ষিক ঘনত্ব ও প্রতিস্বরাঙ্ক আলাদা, যা ল্যাবরেটরিতে ধরা যায়।

৫। রত্নপাথরের প্রতিসরণাংক যাচাই করতে হবে। 

৬। রত্নপাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্নপাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব।

রত্নপাথর (Gemstone) এর  গুরুত্ব ও উপকারিতা 

বিশ্বাস যাই হোক, বিজ্ঞান যাই বলুক, পৃথিবীর সব দেশে হাতের আঙ্গুলের আংটিতে, গলার হার, কবজির ব্রেসলেটে বা কানের দুলে রত্নপাথরের ব্যবহার ছিল, আছে বা থাকবে।  জীবনে সৌভাগ্য আনতে রত্ন ধারণের রীতি বহু প্রাচীন৷ বহুকাল থেকেই রত্নের ওপর ভরসা করে আসছে মানুষ৷ জ্যোতিষশাস্ত্র মতে রত্নপাথর প্রথম কাজ করে সম্পদ বৃদ্ধিতে। আয়ের পথে বিস্তার ঘটে এবং ব্যবসায় প্রসার হয়। ফলে নতুন নতুন সুযোগের সাথে বিশেষ উন্নতি আসতে থাকে। রত্নপাথর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় বহন করে। পঞ্চইন্দ্রিয় প্রখর করে তোলে । ফলে নিজের মনের উপর প্রভাব ফেলে কঠিন পরিস্থিতেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য প্রদান করে। 

citrine-gemstone
citrine-gemstone

রত্নপাথর ব্যবহারে পাওয়া উপকার গুলো নিম্নরূপঃ

১। আর্থিক দিকে উন্নতি হয়। 

২। শয়তানের প্ররোচনা ও কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। 

৩। চোখের জ্যোতি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং বুক প্রশস্ত রাখে। 

৪। দারিদ্রতা ও আর্থিক কষ্ট দূর করে। 

৫। রত্নপাথর ব্যাবহারে চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৬। হয়রানি থেকে রক্ষা ও শত্রুদের মাঝে জয়ী হতে সাহায্য করে। 

৭। রাগ প্রশমিত হয় এবং মাথা ঠাণ্ডা থাকে। 

৮। দুশ্চিন্তা দূর হয়, আকর্ষণ করার ক্ষমতা বাড়ে প্রেম ও বন্ধুত্ব বজায় রাখে।  

৯। সম্মান ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায় সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।  

১০। রত্নপাথর যাদু-টোনা, বিষাক্ত পোকামাকড় রক্ষা করে।

১১। রত্নপাথর ব্যাবহারে রাতের দুঃস্বপ্ন, দুশ্চিন্তা, মৃগী রোগ, কুষ্ট রোগ দূর হয় ।

১২। মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে সঠিক দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়।

১৩। যে কোন নেগেটিভ চিন্তা ও খারাপ শক্তি থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে। 

১৪। আক্রান্ত ব্যাক্তির জ্বরের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে।  

১৫। শত্রুদের পরাজিত করতে সাহায্য করে। 

১৬। দারিদ্রতা অল্প সময়ে সম্ভাবনায় রূপ নেয়।  

১৭। উদ্বিগ্নতা ও মানসিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

১৮। শয়তানের খারাপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখে। 

১৯। স্বামী ইস্ত্রির সম্পর্কে দৃঢ় রাখে।

২০। ব্যবহারকারীর শরীরকে সুস্থ রাখতে  এবং জীবনে উন্নতি বয়ে আনতে সাহায্য করে। 

২১। আত্মবিশ্বাস এবং মনের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

২২। মনকে সঠিক পথে চালিত করতে পাথরের গুরুত্ব অনেক। 

২৩। মনবল বৃদ্ধি পায়, কষ্টসহিষ্ণুটা বেড়ে যায়, টিকে থাকার কঠোর মনভাবের সৃষ্টি করে।

২৪। অনেক সময় ব্যবহারকারীর সৌভাগ্য আনয়ন করে ব্যক্তিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে থাকে। 

২৫। কারো খারাপ দৃষ্টি থেকে জীবনকে রক্ষ করে । 

২৬। মেরুদণ্ডের জোর বাড়াতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে ও পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বেশ উপকারী।

২৭। এছাড়া যারা জীবনে খুব বেশী পরিশ্রান্ত তাদের জন্য পাথর উপকারী।

২৮। বিশেষ করে যে কোন ব্যবসায়ীকে এ পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। কারন আর্থিক উন্নতিতে এ পাথর খুব উপকারী।

২৯। একটি পাথর যা সারা পৃথিবীর যে কোন রাশির যে কোন জাতক জাতিকা ব্যবহার করতে পারে।

৩০। যে সকল শিশুদের মনোযোগের অভাব রয়েছে, যারা অনিদ্রায় ভোগে এবং অস্থির প্রকৃতির তাদেরকে রত্নপাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। 

জেনে নেই কোন মাসে কোন রত্নপাথর ধারণ উপকারী 

আপনি কি কখনো জন্মমাস অনুযায়ী রত্ন ধারণ করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে আজই জন্ম মাস অনুযায়ী রত্নপাথর (Gemstone) ব্যবহার করা শুরু করুন। সনামধন্য জ্যোতিষরাজ লিটন ধাওয়ান চিস্তী বলছেন জন্ম মাস অনুযায়ী পাথর ব্যবহার করলে সফলতা আসবেই আসবে। জেনে নেই জন্ম মাস অনুযায়ী কীভাবে বেছে নেবেন রত্নপাথর। বছরের প্রতিটি মাস অনুসারে জন্মগ্রহণকারী মানুষের জন্য, এই জন্মের পাথরগুলি সমস্ত ইচ্ছা পূরণে সহায়তা করে।

Ajmeri Gems House
Ajmeri Gems House

বছরের প্রতিটি মাস অনুসারে জন্মগ্রহণকারী মানুষের জন্য

১। যদি আপনার জানুয়ারি মাসে জন্ম হয় তাহলে গোমেদ পাথর হল আপনার লাকি স্টোন৷ 

২। যদি ফেব্রুয়ারি মাসে জন্ম হয় আপনার তাহলে এমেথিস্ট বা নীলা ব্যাবহার আপনার জন্য ভালো। 

৩। মার্চ মাসে জন্ম হলে অবশ্যই ধারণ করুন  নীল পান্না রত্নপাথর। হার্ট সুস্থ রাখতে, বিপদ আপদ থেকে দুরে রাখে এই পাথর। 

৪। এপ্রিল মাসে জন্ম হলে ধারণ করুন হীরক বা হীরাপাথর। আগে মনে করা হত এই পাথর অশুভ শক্তি দূর করে৷ 

৫। মে মাসের জাতকদের রত্নপাথর সবুজ পান্না ব্যবহার করা উচিত। মনে করা হয় জীর্ণতা দূর করতে, অসুখ সারিয়ে তুলতে অব্যর্থ পান্না৷

৬। শান্তি, পবিত্রতার প্রতীক মুক্তা পাথর। জুন মাসে জন্ম হলে এই রত্ন অবশ্যই ধারণ করুন৷

৭। জুলাই মাসের জাতকরা জীবন থেকে দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে, ভালবাসা আনতে অবশ্যই রুবি পাথর ধারণ করুন৷

৮। আগস্ট মাসে জাতকদের অসময়ের প্রবণতা থাকে৷ সবুজ পেরিডট স্টোন অবসাদ কাটাতে সাহায্য করে৷

৯। সেপ্টেম্বরে জাতকদের জীবন বিপদ সংকুল হয়৷ তাদের নীলকান্তমণি রত্নপাথর ধারণ করা উচিত৷

১০। অক্টোবরে যারা জন্মেছেন তারা চোখ বুজে ধারণ করুন ওপেল পাথর। যা আপনার মন শান্ত রাখতে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে। 

১১। নভেম্বর মাসে যারা জন্মেছেন তারা অবশ্যই ধারণ করুন টোপাজ পাথর। এই রত্ন সম্পর্ক উন্নত করতে সাহায্য করে৷

১২। ডিসেম্বর মাসের জাতকরা ফিরোজা পাথর ধারণ করুন৷ কুনজর থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে এই রত্ন৷

একজনের ব্যবহার করা পাথর অন্য কারো ব্যবহার করা উচিৎ নয়

রত্নপাথরের রং এবং মহিমার গভীরতা মানবজাতিকে মুগ্ধ করেছে এবং শতাব্দী ধরে কল্পনাকে উদ্দীপিত করেছে। রত্নপাথর গহনা অপ্রতিরোধ্যভাবে জনপ্রিয়, এবং কাশ্মীরি নীলকান্তমণি সবচেয়ে ব্যয়বহুল। রত্নপাথর ধারন আপনাকে আকর্ষণী করে তোলে এবং আধ্যাত্মিকতার উন্নয়ন ঘটায়। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে উৎসাহিত করে তোলে। একজনের ব্যবহার করা পাথর অন্য কারো ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কারন পূর্বে ব্যবহারকৃত ব্যক্তির শরীরের ক্ষতিকর বিষয় গুলো নতুন ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করাতে উধ্বুদ্ধ  করে থাকে। জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আনতে রত্ন পাথরের ব্যবহার অনেক আগে থেকেই।  প্রাচীনকাল থেকেই এটি বিশ্বাস করা হয় যে, রত্নপাথর পরলে সম্পদ এবং সৌভাগ্য ফিরে আসতে পারে। রত্নপাথর আমাদের অসময় এবং অসুস্থতা  উপর বিশাল প্রভাব ফেলে। রত্নপাথর থেকে জানা যায় যে, আপনার আসন্ন জীবনে কী ঘটতে চলেছ?

রত্নপাথর (Gemstone)  অনেকে ব্যবহার করে তবে চেনে না

কিছু কিছু জ্যোতিষী ক্ষুদ্র স্বার্থে রত্নপাথরকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করে থাকে। নানা রকম প্রলোভনে আমরা মনেই করি রত্নপাথর আমাদের সরাসরি বিপদ থেকে উদ্ধার করে দেবে। এমনটা ভাবাও বোকামি। যদি কেউ সবসময় গলায় রত্নপাথর ব্যবহার করেন লকেট হিসেবে তাহলে সে মস্তিষ্কের রোগ থেকে মুক্ত থাকে। এমনকি মানুষিক ভারসাম্য ঠিক থাকে। রত্নপাথর ধারণ করার পূর্বে প্রতিটি পাথরই বিশুদ্ধতা যাচাই করে ধারন করতে হবে। যে কোন প্রকার রাশি রত্নপাথর শোধন ব্যতীত ধারনে সুফল নাও পেতে পারেন। রত্নপাথরের বাঁধাইকৃত ধাতুর শুদ্ধতা আপনার অবশ্যই জানা থাকতে হবে। রত্নপাথর শোধনের প্রতি তিন মাস পর পর শুভ সময়ে ধারন করতে হয়। পাথর বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মানতে হয় কিছু দিক নির্দেশনা।

Leave a Reply